আত্মসংযম সম্পর্কে বাইবেলের পদ
আত্মসংযম সম্পর্কে 14টি বাইবেলের পদ পড়ার, ধ্যান করার ও মুখস্থ করার জন্য।
নম্র, ইন্দ্রিয় দমন (আত্মসংযম), এই সব গুনের বিরুদ্ধে নিয়ম নেই।
একজন লোক যার আত্মসংযম নেই সে এমন এক শহরের মতো যা ভেঙে গিয়েছে এবং যার পাঁচিল নেই।
আর যে কেউ মল্লযুদ্ধ করে, সে সব বিষয়ে ইন্দ্রিয় দমন করে। তারা অস্থায়ী বিজয় মুকুট পাবার জন্য তা করে, কিন্তু আমরা অক্ষয় মুকুট পাবার জন্য করি।
তা আমাদেরকে শিক্ষা দিচ্ছে, যেন আমরা ভক্তিহীনতা ও জগতের কামনা বাসনাকে অস্বীকার করি, সংযত, ধার্মিক ও ভক্তিভাবে এই বর্ত্তমান যুগে জীবন কাটাই,
ও জ্ঞানের মাধ্যমে আত্মসংযম, ও আত্মসংযমের মাধ্যমে ধৈর্য্য, ও ধৈর্য্যের মাধ্যমে ধার্ম্মিকতা,
যে রাগে ধীর, সে বীর থেকেও ভালো এবং যে নিজের আত্মার শাসন করে সে এক শহর-জয়কারী থেকেও শক্তিশালী।
কারণ ঈশ্বর আমাদেরকে ভয়ের মন্দ আত্মা দেননি, কিন্তু শক্তির, প্রেমের ও সুবুদ্ধির আত্মা দিয়েছেন।
বরং আমার নিজের শরীরকে প্রহার করে দাসত্বে রাখছি, যদি অন্য লোকদের কাছে প্রচার করবার পর আমি নিজে কোন ভাবে অযোগ্য হয়ে না পড়ি।
হে আমার প্রিয় ভাইয়েরা, তোমরা এটা জানো। কিন্তু তোমাদের প্রত্যেকে অবশ্যই কথা শোনার জন্য প্রস্তুত থাক, কম কথা বলো, খুব তাড়াতাড়ি রেগে যেও না,
আর যারা খ্রীষ্ট যীশুর, তারা দেহকে তার কামনা ও মন্দ অভিলাষের সঙ্গে ক্রুশে দিয়েছে।
তোমরা সতর্ক হও, জেগে থাক, তোমাদের বিপক্ষ দিয়াবল, গর্জ্জনকারী সিংহের মতো, কাকে গ্রাস করবে, তার খোঁজ করছে।
নির্বোধ নিজের সব রাগ প্রকাশ করে, কিন্তু জ্ঞানী তা সম্বরণ করে রাগ কমায়।
অতএব এস, আমরা অন্য সবার মত ঘুমিয়ে না পড়ি, বরং জেগে থাকি ও আত্ম নিয়ন্ত্রিত হই।
কিন্তু তোমরা প্রভু যীশু খ্রীষ্টকে পরিধান কর এবং দেহের ইচ্ছা পূর্ণ করবার দিকে মন দিও না।