সহিষ্ণুতা সম্পর্কে বাইবেলের পদ
“প্রত্যাশায় আনন্দ করো; কষ্টে ধৈর্য ধরো; প্রার্থনায় নিয়ত লেগে থাকো” (রোমীয় 12:12)—শাস্ত্রে ধৈর্য সক্রিয়, নিষ্ক্রিয় নয়। এই পদগুলি সেই দীর্ঘ বাধ্যতাকে বাড়িয়ে তোলে যা ঈশ্বরের সময়ের অপেক্ষা করে, অথচ তাঁর প্রতিশ্রুতি ছাড়ে না।
আশায় আনন্দ কর, কষ্টে ধৈর্য্য ধর, অনবরত প্রার্থনা কর,
অতএব, হে ভাইয়েরা, তোমরা প্রভুর আগমন পর্যন্ত ধৈর্য্য ধরে থাক। দেখ, কৃষক জমির বহুমূল্য ফলের অপেক্ষা করে এবং যত দিন তা প্রথম ও শেষ বৃষ্টি না পায়, ততদিন তার বিষয়ে ধৈর্য্য ধরে থাকে। তোমরাও ধৈর্য্য ধরে থাক, নিজের নিজের হৃদয় সুস্থির কর, কারণ প্রভুর আগমন কাছাকাছি।
কিন্তু পবিত্র আত্মার ফল প্রেম, আনন্দ, শান্তি, ধৈর্য্য, দয়া, পরোপকারিতা, বিশ্বস্ততা,
আমরা প্রার্থনা করি তাঁর মহিমা ও শক্তির অনুগ্রহে সব বিষয়ে তোমরা শক্তিশালী হও যেন তোমরা ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতাকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করতে পার।
সদাপ্রভু তার জন্যই ভালো যে তার অপেক্ষা করে, সেই জীবনের পক্ষে যা তাকে খোঁজে। সদাপ্রভুর পরিত্রানের জন্য নীরবে অপেক্ষা করাই ভালো।
সম্পূর্ণ ভদ্র ও ধীরস্থির ভাবে এবং ধৈর্য্যের সাথে চল; প্রেমে একে অন্যের প্রতি ক্ষমাশীল হও,
কিন্তু আমরা যা এখনো দেখতে পায়নি তার উপর যদি দৃঢ় আস্থা করি, তবে ধৈর্য্যের সঙ্গে তার আশায় থাকি।
আর, হে ভাইয়েরা, আমরা তোমাদেরকে বিনয় করছি যারা অলস ব্যক্তি, তাদেরকে চেতনা দাও, ভিরুতাদের স্বান্তনা দাও, দুর্বলদের সাহায্য কর, সবার জন্য ধৈর্য্যশীল হও।
আর ঝগড়া করা প্রভুর দাসের উপযুক্ত নয়, কিন্তু সবার প্রতি কোমল, শিক্ষাদানে নিপুন, সহনশীল হওয়া
আমরা চাই না যে তোমরা অলস হও, কিন্তু যারা বিশ্বাস ও দীর্ঘসহিষ্ণুতার কারণে নিয়ম সমূহের অধিকারী, তাদের মতো হও।